চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাগান থেকে সরাসরি
নিজের দাম আপনি ঠিক করবেন, শুধু লিংকটা শেয়ার করবেন। অর্ডার এলে আম আমরা বাগান থেকে সংগ্রহ করে ক্রেতার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেব। আপনার লাভ ওয়ালেটে জমা হবে।
পুঁজি লাগে না
আগে টাকা দিতে হয় না
স্টক রাখতে হয় না
আম আমাদের কাছেই থাকে
প্রতিটি টাকার হিসাব
কেউ বদলাতে পারে না

চারটি ধাপ, একদিনেই শেষ
নাম, মোবাইল নম্বর আর পাসওয়ার্ড। এরপর এনআইডি দিয়ে কেওয়াইসি জমা দিন।
কোন আম বিক্রি করবেন আর কত দামে, সেটা আপনার সিদ্ধান্ত। ক্রয়মূল্যের নিচে নামানো যাবে না।
আপনার নামে একটি অর্ডার ফরম পাবেন। হোয়াটসঅ্যাপ বা ফেসবুকে শেয়ার করুন।
ক্রেতা অর্ডার দিলে আপনি নিশ্চিত করবেন। প্যাক করা আর পাঠানো আমাদের কাজ।
একটি সত্যিকারের অর্ডারের হিসাব
ডেলিভারি চার্জ আলাদা, সেটি ক্রেতা দেয়। ক্যাশ অন ডেলিভারিতে কুরিয়ার টাকা তুলে আমাদের দেয়, আর আপনার লাভ ওয়ালেটে জমা হয়। দিনে দশটি অর্ডার মানে সাতশো টাকা।
কানসাট, ভোলাহাট আর আশপাশের বাগান থেকে প্রতিদিন সংগ্রহ করা হয়। কোন অর্ডার কোন বাগান থেকে গেছে, তার হিসাব থাকে।
আপনাকে আম ধরতে হবে না, কুরিয়ারে যেতে হবে না। প্রতিটি পার্সেল আমরা ক্রেতার ঠিকানায় পাঠাই।
প্রতিটি লেনদেন ওয়ালেটে লেখা থাকে এবং কখনো মোছা বা বদলানো যায় না। কে কত পাবে, কে কত দেবে, স্ক্রিনেই দেখা যায়।
ক্যাশ অন ডেলিভারির লাভ ওয়ালেটে জমে। উত্তোলনের অনুরোধ দিলে আমরা পাঠিয়ে দিই।
কিছু লাগে না। রেজিস্ট্রেশন ফ্রি, আর আম কেনার জন্য আগে টাকা দিতে হয় না। অর্ডার নিশ্চিত করার সময় ক্রয়মূল্য আপনার ওয়ালেট থেকে হিসাব হয়।
নিজের ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা পরিচিতদের মধ্যেই শুরু করা যায়। আপনার অর্ডার ফরমের লিংক যে কেউ খুলে অর্ডার দিতে পারে।
হ্যাঁ। ক্রয়মূল্যের নিচে নামানো যাবে না, আর কিছু পণ্যে সর্বোচ্চ দাম বেঁধে দেওয়া থাকতে পারে। এর মাঝে দাম আপনার।
টাকার লেনদেন হয় বলে পরিচয় নিশ্চিত করা দরকার। কেওয়াইসি অনুমোদনের আগেও আপনি দাম ঠিক করে রাখতে পারবেন, শুধু অর্ডার নেওয়া চালু হবে অনুমোদনের পর।